গোবিন্দগঞ্জে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ : আহত ১০

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিত ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাকালে আ’লীগ সমর্থিত ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অনন্ত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের তারদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোট গ্রহণ শুরুর আগ থেকে কামারদহ ইউনিয়নের আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলাম রতনের কর্মী-সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে আসার সময় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. তৌফিকুর হাসান তৌফিকের কর্মী-সমর্থক বাঁধা দেয়। এ নিয়ে দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ও সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন।

গুরুত্বর আহতদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদেরকে মধ্যে শাওন মিয়া ও হাবিবুর রহমান নামের দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মজিদুল ইসলাম।

এদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের জীবনগাড়ী ভোট কেন্দ্রেও আ’লীগ ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধলে পুলিশ টিআর সেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিত শান্ত করে। তবে এ কেন্দ্রে তেমন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

গাইবান্ধা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশফিকুজ্জামান সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি আহতদের নাম পরিচয় জানাতে পারেননি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমান প্রামাণিক জানান, ভোট কেন্দ্রের বাইরে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে ভোট কেন্দ্রে যথারিতি ভোট গ্রহণ চলছে।

এর আগে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ও শালমারা ইউনিয়নের ব্যালট বাক্স ভাংচুর ও ছিনতাই, ভোট কারচুপি ও প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছিল।

  •  
  •  
  •  
  •