মহেশপুর ১৮টি ইট ভাটার মুল জ্বালানীই কাঠ!

আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
যেখানে সরকারের প্রথম শর্তই হচ্ছে ইট ভাটাই কোন ভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবেনা। সেখানে ঝিনাইদহের মহেশপুরে ইপজেলার ইটভাটার মালিকরা প্রতিদিন প্রশাসনের নাকের ডোগায় লাখ লাখ মণ কাঠ পোড়াচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অধিকাংশ ইট ভাটার মালিক লোকালয়ে এমানকি স্কুল থেকে ৩০-৪০ গজ দূরে ফসলি জমির উপর অবৈধ ভাবে ইট ভাটা নির্মান করে হাজার হাজার মন কাঠ দিয়ে দেদারছে ইট পোড়ানোর কাজ চালিযে যাচ্ছেন। ইচ্ছে মত কাঠ পোড়ানোর ফলে একদিকে উজাড় হয়ে যাচ্ছ আম, কাঠাল, জাম, লিচু, মেহগুনিসহ বিভিন্ন ধরনের বাগান। অন্যদিকে বিলুপ্ত হয়ে পড়ছে খেজুর বাগান। যেন দেখার কেউ নেই।

জেলা প্রশাসন অফিস কর্তৃক জানা যায়, মহেশপুর উপজেলায় রয়েছে প্রায় ১৮টি ইট ভাটা।

নস্তী উজলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা চৌধুরী বলেন, স্কুল থেকে মেসার্স শাকিল ইট ভাটার দুরত্ব ২০-৩০ মিটার হওয়াতে গড়ির শ্বব্দ ও ধুলা বালিতে তাদের শিক্ষাদান প্রদানে ব্যহত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইট ভাটার মালিক জানান, মহেশপুর উপজেলায় ১৮টি ইট ভাটা রয়েছে। সরকারের আইন মেনে নাম সর্বস্ব কয়লা ব্যবহার করে চলছে মাত্র কয়েকটি ইট ভাটা।

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশাফুর রহমান জানান, আমরা খুব তাড়াতাড়ি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ঐ সব ইট ভাটা ও মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্তা নেবো।

  •  
  •  
  •  
  •