পাতাল রেল নির্মাণে জাপানের সাথে বাংলাদেশের ঋণচুক্তি সই

নিউজ ডেস্কঃ

মেট্রোরেল লাইন প্রকল্পের আওতায় ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাতাল মেট্রোরেল এবং দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালমেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের সঙ্গে ১১ হাজার ৪শ কোটি টাকার ঋণচুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। প্রকল্পটিরসর্বমোট ব্যয় ধরা হচ্ছে মোট ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সরকার জাপানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইটিওনাওকির মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউহোহায়াকাওয়া নিজ দেশের পক্ষে ঋণচুক্তিতে সই করেন।

ইআরডির সচিব করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ভার্চুয়ালি ঋণচুক্তি সই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

প্রকল্পের আওতায় ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার হবে পাতাল, যোগ করেনতিনি।

২০২৬ সালে পাতালরেলে যাত্রী পরিবহন শুরুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ১২টি প্যাকেজের আওতায় এমআরটি প্রকল্পেরমাধ্যমে ঢাকায় প্রথম পাতাল রেলপথের নির্মাণ কাজ করা হবে। প্রথম প্যাকেজে ডিপোর ভূমি উন্নয়ন আনুষঙ্গিক অবকাঠামোনির্মাণ করা হবে। জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এই রেললাইনের দুটি অংশ থাকবে। প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে। ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমলাপুররেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশ নির্মাণ করা হবে। যার দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। আর কমলাপুর থেকে পূর্বাচলপর্যন্ত নির্মাণ করা হবে উড়াল পথ। যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।

ঢাকায় পাতালরেলের জন্য ২৫টি ট্রেন কেনা হবে বলে জানানো হয়।প্রতিটি ট্রেনে ৮টি করে কোচ থাকবে। একেকটি ট্রেনে একসঙ্গে হাজার ৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। আর পুরো লাইনটি দিয়ে প্রতিদিন আট লাখ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।

মেট্রো রেলের পাশাপাশি পাতাল রেল চালু হলে রাজধানীর যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3