ঈদকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে দর্জিরা কাটাচ্ছে নির্ঘুম রাত, নি:স্বাস ফেলার সময় নেই
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
গর-র-র-র-র করে মেশিনের শব্দ। ঝিনাইদহের প্রতিটি দর্জি পাড়ায় চলছে মেশিনের লড়াই। গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই লড়াই। এবারের ঈদে রেডিমেট পোশাকের সাথে সাথে তৈরী পোশাকেরও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। পৌর শহরসহ উপজেলার দর্জিপাড়া বা গ্রামগঞ্জের ছোটখাটো টেইলার্স গুলোতে চলছে পাল্লাদিয়ে যেন পোশাক তৈরীর ধুম।
রহিম টেইলার্সের মালিক রহিম হোসেনকে দেখা গেল, গলায় ফিতা আর হাতে কাঁচি নিয়ে কাপড় কাটাকাটিতে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন। সে জানাল, দর্জিদের মুখে অপ্রয়োজনীয় কোন কথা নেই, শুধু কাজ আর কাজ।
সরেজমিনে শহরের দর্জি পাড়ায় যেয়ে দেখা গেল, সকলেন পাশেই জমা হচ্ছে তৈরী পোশাকের স্তুপ। কাটিং মাস্টারের মাপ অনুযায়ী সেলোয়ার, কামিজ, পান্জবী, শার্ট, প্যান্টসহ ছোট বাচ্চাদের পোশাক তৈরী করে সময়মত বিতরণের বিরামহীন ভাবে কাজ করছে দর্জিরা। অধিকাংশ টেইলাসে চলর্ছে অর্ডার নেয়ার প্রতিযোগিতা। যে পোশাকের অর্ডার নেয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরবরাহের জন্যই তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
কানিজ আফরোজা নামের এক ক্রেতা জানালেন, রেডিমেট কাপড়ে নতুনত্ব পাওয়া যায় না বলেই দর্জিবাড়ি বা টেইলার্সে সবাই ভীড় জমায়। মেয়েরা লেইছ লাগানো সেলোয়ার কামিজ, লাইলিন দিয়ে কাজ ও সাদা মাটা পোশাকে এমব্রয়ডারীর কাজ বেশী পছন্দ করছেন।
আলী ড্রেস মােের্টর মালিক আলী হোসেন জানান, ঈদকে সামনে রেখে সুঁই-সুতা কারিগরদের দিনরাত পোশাক তৈরিতে এখন খুবই ব্যস্ত। অলি গলিতে ছড়িয়ে থাকা টেইলার্স গুলোর কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ঝিনাইদহ জেলা দর্জি শ্রমিক নেতা সাহেব আলী জনান, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের কাজের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। অর্ডারের কাপড়ও জমা হয়েছে অনেক।

