নিজের বেতনে অসন্তুষ্ট মুশফিকুর রহিম
খেলাধলা ডেস্ক:
সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, গেল তিন মাস ধরে বেতন পাননি মুশফিকুর রহিমরা। যা বেতন পান সেটা নিয়েও রয়েছে আপত্তি। রোববার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের সঙ্গে চুক্তি শেষে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন জাতীয় দলের এই টেস্ট অধিনায়ক।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রূপগঞ্জের সঙ্গে চুক্তি শেষে বেতন নিয়ে নিজের ‘অখুশি’ মনোভাব প্রকাশ করেন মুশফিক।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের সাথে আমরা বছরে প্রায় ৯-১০ মাস কাটাই। তার বাইরে ডিপিএল, বিপিএল খেলি। এই ধরণের টুর্নামেন্টগুলো ক্রিকেটারদের অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করে। যে কয়টা ম্যাচই খেলতে পারি না কেন, অপেক্ষা করি এই টুর্নামেন্টের জন্য। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করাটা অবশ্যই গর্বের কিন্তু আমরা যদি জাতীয় দলেও এমন অর্থ পেতাম তাহলে আমাদের জন্য খুব ভালো হতো।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রতি বেতন বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি গেল ১০-১১ বছর ধরে জাতীয় দলে খেলছি, কিন্তু এখনও অনেককিছু অর্জন করার বাকি রয়েছে। আমরা তাদেরকে (বোর্ড) অনুরোধ করেছি। আমি নিশ্চিত যে তারা ব্যাপারটি আমলে নিয়ে ক্রিকেটারদের ভালোর জন্য কিছু একটা করবেই।’
এই মুহূর্তে ক্রিকেটাররা যে বেতন পাচ্ছে, তার চাইতে প্রত্যেকের বেতনের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে নতুন চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম ধনী বোর্ড বিসিবির কাছ থেকে এর চাইতেও বেশি আশা করছেন মুশফিকরা।
জানিয়ে রাখা ভালো, বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বেতন পান এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা অর্থাৎ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম। এছাড়া অধিনায়করা মূল বেতনের সাথে আরও ২০ হাজার টাকা বেশি পেয়ে থাকেন।

