ইতালির জয়ের নায়ক ডোনারুমা

ক্রীড়া ডেস্কঃ ইতালিতে জিয়ানলুইজি ডোনারুমার অভিষেক হয়েছিল মাত্র ১৭ বছর ২৮ দিন বয়সে। ২০১৬ সালে নীল জার্সিতে অভিষেকের দুই বছর পর তরুণ এই গোলরক্ষককে হতাশ করেছিল রাশিয়া বিশ্বকাপ।

কারণ তারা যে সেই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি। সেই ডোনারুমার হাত ধরে ফিরল ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইতালির সোনালি দিন। দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবার মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উঠল আজ্জুরিদের মাথায়।

দিনো জফ, ওয়াল্টার জেঙ্গা আর জিয়ানলুইজি বুফনের দেশে গোলপেস্টের নিচে আরেক নায়ক হিসেবে হাজির ডোনারুমা। ইন্টার মিলানের এই গোলরক্ষক ফাইনালে টাইব্রেকারে দুটি শট ঠেকিয়ে হয়েছেন ইউরো কাপের শেষ নবাব।

অথচ শুরুতেই তাকে বোকাবনে পাঠিয়েছিলেন ইংলিশ উইঙ্গার লুক শ। দুই মিনিটে গোল হজম করে ইতালিও হয়ে পড়েছিল এলোমেলো। তবে ক্রমেই ভগ্নদশা থেকে বের হয়ে ইতালি চেপে ধরল ইংলিশদের।

বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে। ম্যাচে ফিরল, গোল করল এবং টাইব্রেকারে জিতে ইংল্যান্ডের স্বপ্নের সমাধির ওপর দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি নিয়ে উল্লাশ করলো নীল জার্সিওয়ালারা।

টাইব্রেকারে ইংলিশদেরই প্রথম আশা জাগিয়ে তুলেছিলেন তাদের গোলরক্ষক পিকফোর্ড। ইতালিয়ানদের দ্বিতীয় শট নিয়েছিলেন আন্দ্রে বেলত্তি। ডান দিকে ঝাপিয়ে রুখে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক। এরপরই ভোজবাজির মতো পাল্টে যেতে থাকে টাইব্রেকার পর্বে দৃশ্যপট। ডোনারুমার দুটি দুর্দান্ত সেভ ইতালিয়ানদের ট্রফি জয় নিশ্চিত করে।

ফাইনাল শেষে অন্যরা যখন ডোনারুমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ তখন গোলরক্ষক নিজে প্রশংসা করেছেন তার সতীর্থদের। মাঠে ইতালিয়ানরা কেমন ফুটবল খেলেছে, কিভাবে জয় ছিনিয়ে এনেছে সে বর্ণনা দিতে গিয়ে ডোনারুমা বলেছেন, ‘ম্যাচে আমরা অসাধারণ কিছু করেছি। আমরা অত্যন্ত খুশি। আমরা এক ইঞ্চি জায়গাও দেইনি ইংল্যান্ডকে। পেছন থেকে দেখেছি, আমার সতীর্থরা কিভাবে সময় এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে ম্যাচের চিত্রও পাল্টে দিয়েছে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: , ,