উখিয়ার পাহাড়ে কমলা চাষে সাফল্য (ভিডিও)
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তের ঘুমধুম পরিত্যক্ত পাহাড়ী এলাকায় পরীক্ষামূলক কমলা চাষ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। উখিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম মৌজায় প্রায় ৫০ একর পাহাড়ি এলাকা জুড়ে আম, লেচু, পেয়ারা, মালটা, লটকন, লেবু, কুল, ডালিমের পাশাপাশি কমলার আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা উদ্যোক্তারা জানান, কমলা বাগানের পাশাপাশি একটি পর্যটন স্পটসহ বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে অদুর ভবিষ্যতে দেশি-বিদেশী পর্যটকদের আগমন ঘটবে। এতে দেশ ও সরকারের সুনাম বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব আয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।
কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়ার বালূখালী টিভি রিলে কেন্দ্রের ২’শ গজ উত্তরে ঘুমধুম পাহাড়ী এলাকা। গত কয়েক বছর ধরে সংঘবদ্ধ বনদস্যূদের ভয়াল থাবায় বন সম্পদ নিচ্ছিন্ন হয়ে এটি বর্তমানে পরিত্যক্ত এলাকায় পরিনত হয়েছে।
প্রকল্পের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড স্বত্ত্বাধিকারী শাহারিয়ার আল লতিফ জাহিদী জানান, ২০১০ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন গ্রহন পূর্বক প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাটির গুণাগুণ পরিক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে কমলা চাষের উপযোগী মানসম্পন্ন বলে প্রতিয়মান হওয়ায় ২০১১ সালে কমলা চাষ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।
প্রায় ৫৫ একর জায়গার উপর আম, লিচু, পেয়ারা, মালটা, লটকন, লেবু, ডালিম, কুল প্রভৃতি ফলজ জাতের প্রায় ৮ হাজার চারা রোপন করা হলেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিক চারা রোপন করা হয়েছে কমলা ও মালটা।
তিনি জানান, আগামী মৌসুমে কয়েক লক্ষ টাকার কমলা ও মালটা সহ বিভিন্ন প্রকার ফলজ দ্রব্য বাজারজাত করা যাবে। কক্সবাজারে এ প্রথম পরিক্ষামূলক কমলা ও মালটা চাষাবাদে এ প্রকল্প দেখার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য লোকজন আসা-যাওয়া করছে। হয়তো ভবিষ্যৎে এ বাগানের পাশাপাশি এখানে আরো একাধিক বাগান গড়ে উঠতে পারে। এভাবে এককালে গভীর অরন্য ঘেরা ঘুমধুম আকর্ষনীয় এলাকায় পরিনত হতে বেশি সময় লাগবেনা। এ ক্ষেত্রে এলাকাবাসির সহযোগিতা বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে….

