তৃতীয় হয়েছেন কিশোয়ার

বিনোদন ডেস্কঃ মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল পর্বে তৃতীয় হয়েছেন কিশোয়ার চৌধুরী। মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ায় দেশীয় রান্নার প্রতিনিধিত্ব করে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই নারী। এবার মাস্টারশেফ-২০২১ এর গ্র্যান্ড ফিনালের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। আর প্রথম হয়েছেন জাস্টিন নারায়ণ।

ফাইনালে জাস্টিন নারায়ণ এবং পিট ক্যাম্পবেলের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। গত ৬ জুলাই পিট ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

কিশোয়ার চৌধুরী সেমিফাইনালে জাস্টিন নারায়ণ এবং এলিস পুলব্রুকের বিপক্ষে অংশ নিয়েছিলেন। সেই প্রতিযোগিতায় প্রতিভা ও দক্ষতার বলে তাদের পরাস্ত করেছিলেন।

বিশ্বজুড়ে তিনি বাংলাদেশিদের ভালবাসা এবং সমর্থনও অর্জন করেছেন। এই উদীয়মান তারকা ভবিষ্যতে বাংলাদেশি খাবারের জন্য একটি রান্নার বই লেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
মাস্টারশেফ প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে তিনি মায়ের কাছ থেকে শেখা বাংলাদেশি খাবার দিয়ে সবাইকে অভিভূত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকায় আমার বাড়িতে অধিকাংশ সময় খাবার তৈরিতে ব্যয় করেছি। মেলবোর্নেও আমি দেশীয় খাবারে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। যখন বাংলাদেশি খাবার আমি রান্না করি, তখন গর্বে আমার বুকটা ভরে যায়।

মাস্টারশেফ অনুষ্ঠানে বাংলা ও ভারতীয় খাবারের জয়জয়কার করেছেন কিশোয়ার চৌধুরী। তার রেসিপি এখন বিশ্বনন্দিত।
এর আগে তিনি ওই অনুষ্ঠানে ফুচকা, খিচুড়ি, জাউ ভাত, চিংড়ি-লাউয়ের স্যুপ, সামুদ্রিক মাছের তরকারি, বেগুন ভর্তা, মাছ ভাজা, কুলফি মালাই করেছেন।
বিশ্বের রান্নাবিষয়ক অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন রিয়েলিটি শো মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ১৩তম আসরের মূল পর্ব শুরু হয় ২০ এপ্রিল।

নর্দার্ন টেরিটরিতে চলছে এই প্রতিযোগিতা। বাছাইপর্ব পেরিয়ে ২৪ জন অংশ নিয়েছিল অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত পর্বে। ৩৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিশোয়ার চৌধুরী সেরাদের তালিকায় রয়েছেন।

বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ তাদের নিজস্ব মাস্টারশেফ আয়োজন করে থাকে। বিশ্বের রান্নাবিষয়ক টেলিভিশন রিয়েলিটি শোর মধ্যে ‘মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়া’ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: ,