ব্রীজটি আছে, রাস্তা নাই!

আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
রাস্তা থাকার পরও চলাচলের সুবিধার্থে ঝিনাইদহের মহাম্মদপুর গ্রামবাসি ফসলি জমির মাঝ দিয়ে আড়াআড়িভাবে রাস্তা তৈরির সিন্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাঁধসাধে ফসলি জমির মালিকগণ। তারপরও থেমে থাকেনি তাদের প্রচেষ্টা। প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যায়ে ৩৬ ফুট লম্বা এবং ১২ ফুট চওড়া ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে দুই পাশে রাস্তা সংযোগ না থাকায় ব্রীজটি মানুষের কোন উপকারেই আসেনি।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপার উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চড়িয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি বিল। এই বিলকে চড়িয়ার বিল বলেই জানে সকলে । দীর্ঘ প্রায় ২৫/২৬ বছর আগে মহম্মদপুর গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামবাসি বিলের মাঝদিয়ে চড়াই গ্রামের সাথে সহজে যোগযোগের জন্য রাস্তা তৈরির সিন্ধান্ত নেয়। ফসলি জমি নষ্ট করে বিলের মাঝ দিয়ে রাস্তা তৈরির বাঁধসাধে জমির মালিকগণ। শুরু হয় জমির মালিক রাস্তা তৈরি করতে চাওয়া লোকজনের সাথে বিরোধ। এক পর্যায়ে তারা রাস্তাবাদে বিলের মাঝে ব্রীজ তৈরি করে পরে জমির মালিদের উপর চাপ সৃস্টি করে রাস্তা তৈরির কৌশল আটে। প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যায়ে এলজিডি’র অর্থে ব্রীজ তৈরি করতে সক্ষম হয়। তবে ব্র্রীজটির দুই পাশে রাস্তা’র সংযোগ না থাকায় ব্রীজটি মানুষের কোন উপকারেই আসেনি এ পর্যন্ত।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, আব্দুল খালেক জানান, মহাম্মদপুর গ্রামসহ কয়েটি গ্রামের লোকজনের যোগাযোগের জন্য রাস্তা রয়েছে। কিন্তু দেড়/ দুই কিলোমিটার ঘুরে চলতে হয়। সহজে যোগাযোগের জন্য মহাম্মদপুর গ্রামবাসিসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন চড়িয়া গ্রামের রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেয়। জমির মালিকগণ তখন বাঁধা দেয়। তারা বিলের মাঝদিয়ে রাস্তা তৈরি করতে পারেনি। পরে সরকারি ভাবে ব্রীজ তৈরি করে রাস্তা তৈরির জন্যও চেষ্ঠা করেও তারা পারেনি। যে কারনে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যায়ে তৈরি বীজ মানুষের কোন কাজেই আসেনি।

বিষয়ে ঝিনাইদহের এলজিডি প্রকৌশলি মোঃ মিজানুর রহমান শেখ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিবেন বলে তিনি জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  

Tags: