বিদেশী নাগরিকদের হত্যা বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করার ষড়যন্ত্র-হুইপ ইকবালুর রহিম

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বাংলাদেশে ধানের শীষ জনগনের বিষ হয়ে দাড়িয়েছে উল্লেখ করে বলেছেন, ঢাকার গুলশানে একটি রেষ্টুরেন্টে জঙ্গিরা নৃশংস ভাবে বিদেশী নাগরিকদের জবাই করে হত্যা করে। হত্যার স্বীকার বিদেশী নাগরিকরা বাংলাদেশে এসেছিল মেট্রো রেল বাস্তবায়নের জন্য। ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোরেল, ঢাকা-দিনাজপুর চার লেন প্রশস্ত রাস্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তারা বাংলাদেশে এসেছিল। তাদেরকেই পরিকল্পিত ভাবে হত্যার পরিকল্পনা ইঙ্গিত বহন করে বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করার। যে মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহন করে কাজ শুরু করেছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে এধরনের জঙ্গি হামলা ও হত্যার সাথে বিএনপি-জামায়াত জড়িত রয়েছে এ ধারনা এখন দেশবাসির। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিদের মদদ দিচ্ছে। কিন্তু জঙ্গিদের মদদ দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ধ্বংস করা যাবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অসহায়, দরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বি করে তুলতে বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহন করেছে। অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ চালসহ বিধবা, ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা দেয়া হচ্ছে। দেশের একটি মানুষও আজ না খেয়ে নেই। শান্তি বিরাজ করছে দেশের মানুষের মাঝে। আর এই শান্তিকে অশান্তিতে পরিণত করতে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। জনগনকে এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।

হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি রোববার দিনাজপুর সদর উপজেলায় প্রতি পরিবারকে ২০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরনের পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

দিনাজপুর পৌরসভাসহ ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়ন, ৩নং ফাজিলপুর, ৫নং শশরা ইউনিয়নে চাল বিতরন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার,সাধারন সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মোবারক শাহ, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল ইসলাম, কোতয়ালী যুব লীগের সভাপতি মোঃ হেলাল, সাধারন সম্পাদক নূরে ইসলাম প্রমুখ। উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দিনাজপুর পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নে ৪৮ হাজার পরিবারকে (প্রত্যেক) ২০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেয়া হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •