ঝিনাইদহের ঈদ বাজারে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় চোরাই পোশাক, প্রশাসনের নেই কোন মনিটরিং
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের নামিদামি বিপণি-বিতানে ভারতের চোরাই পোশাকগুলো দখল করে রেখেছে ঈদের বাজার। ঝিনাইদহ জেলাতে রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সাথে প্রায় ২৮ কিলোমিটারের বিশাল বর্ডার। এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী যে জেলাগুলো রয়েছে যেমন চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর ও কুষ্টয়া জেলাগুলোতেও রয়েছে বিশাল-বিশাল বর্ডার। যেখান দিয়ে ঈদকে সামনে রেখে চোরাইপথে ঢুকছে পোষাকসহ অন্যান্য সামগ্রী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের জামান সুপার মার্কেট, রফি টাওয়ার, মুিন্স সুপার মার্কেট, আজমিরি সুপার মার্কেট, সায়াদাতিয়া মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে ভারতীয় জলপরী, রাই কিশোরী, আনারকলি, আশিকি, মাসাককালি, কোয়েল, চিকনি চামেলি, বিপাশা, ডিসকো চালি, টাপুরটুপুরসহ নানা বাহারি নামের বিভিন্ন পোশাক দেদারছে বিক্রি হচ্ছে।
ঝিনাইদহের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মান ভেদে এসব পোশাক তিন হাজার থেকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম হাকছেন দোকানিরা। পাশাপাশি দেশীয় তৈরি বিভিন্ন ব্রান্ডের পোশাকও বিক্রি হলেও তা তুলনামূলক কম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানালেন, বাজারে একবারেই কোন মনিটরিং নেই। বাইরের পোষাকতো আছেই সেই সাথে আছে ইচ্ছে মতো দাম হাকানোর অসম প্রতিযোগীতা।
জামান সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী কওসার আলী সাংবাদিককে জানান, ঝিনাইদহের ঈদের বাজারে ভারতীয় শাড়ির দাপট অপ্রতিরোধ্য। বিভিন্ন নামের পাথর আর চুমকির কারুকাজ করা গাঢ় রঙের এসব শাড়িতে বাজারের দোকানগুলো ভরে গেছে। ভারতীয় এসব শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার শুরু করে ৩০/৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

