বাকৃবিতে ঢাবির ‘ক’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকের ‘ক’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। শুক্রবার (১০ জুন) ‘ক’ ইউনিটের এবং শনিবার (১১ জুন) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১২.৩০টা পর্যন্ত বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ৪৫ মিনিট এমসিকিউ (৬০ নম্বর) এবং দ্বিতীয় ৪৫ মিনিট লিখিত (৪০ নম্বর) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এই পরীক্ষা শেষ হয়।
বাকৃবি সুত্রে জানা যায়, ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উপস্থিতির হার ছিল ৯৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। অপরদিকে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৪ হাজার একশত ২১ জনের মধ্যে ৩ হাজার আটশত ১০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিততির হার ছিল ৯২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষার্থীর মতামত জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন, ”অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে আমরা পরীক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের কোন সমস্যা হয়নি।”
কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যাললেয ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম। এ সময় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য, বিভিন্ন পরীক্ষা অঞ্চলের ফোকাল পয়েন্ট, কো-অর্ডিনেটর, অঞ্চল সমন্বয়ক, অঞ্চল প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরীক্ষার হলসমুহ পরিদর্শন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি এবার ১ হাজার ৮৫১টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সে হিসাবে প্রতি আসনের জন্য লড়ার কথা ৬২ জনের। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ইউনিটে এবার ১ হাজার ৩৩৬ আসনের জন্য ৭৮ হাজার ৩১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সেই হিসাবে প্রতি আসনের জন্য লড়ার কথা ৫৮ জনের।
এবারের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক, খ, গ, ঘ, চ ভিত্তিক ইউনিটের নাম। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউনিটগুলোর নাম হবে, বিজ্ঞান ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, চারুকলা ইউনিট এবং কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট। ঘ ইউনিট বাতিলের কারণ হিসেবে পরীক্ষার বোঝা ও ভোগান্তি কমানোর যুক্তি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এ ছাড়া ঘ ইউনিট বাতিল করলেও চালু হতে যাওয়া কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।

