রাজধানীতে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ; আহত ২০

নিউজ ডেস্ক:

বুধবার রাতে রাজধানীতে ঢাকা কলেজ ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ঢামেক হাসপাতাল থেকে মোট ২০ জনের মতো চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সাত জনকে প্রথমে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। সবাই যার যার বাসায় বা হলে চলে গেছেন।’

যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন—কায়েছ (২৪), জসিম উদ্দিন (২৮), সুজন (২৮), খোকন (২৮), রুবেল (২৬), মামুন (২৬) ও শিহাব (২৬)।

এর আগে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল রাত ৯টা থেকে বুধবার ঢাকা কলেজ ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং থেমে থেমে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

বুধবার রাতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা রড, চাপাতি, হকিস্টিক ইত্যাদি নিয়ে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ঘেরাও করে রাখেন। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল মেরে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষার্থীরাও ভেতর থেকে ইটপাটকেল ছোড়েন। টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ভেতর থেকেও ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়।

এসময় পথচারীদের থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া এবং মোটরসাইকেল চালকদের মারধর করে তাদের কাছ থেকে হেলমেট কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা কলেজের নর্থ হলের তিন জন শিক্ষার্থীকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজে মারধর করা হয়। এরপর নর্থ হলের শিক্ষার্থীসহ ঢাকা কলেজের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে যান। তবে, কী কারণে ওই তিন জনকে মারা হয়, তা এখনও জানা যায়নি।

নিউমার্কেট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাহেব আলী বলেন, ‘ঢাকা কলেজের কয়েক জন ছাত্রকে টিটি কলেজের ছাত্ররা মারধর করেছেন। যত দূর জানি, এ নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত। এখন সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে।’

  •  
  •  
  •  
  •