এক ব্রীজ ভেঙ্গে ৫০ গ্রামের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের সানচাই নদীর উপর নির্মিত একটি ব্রীজ ভেঙ্গে পড়ায় অন্তত: ৫০ গ্রামের যোগোযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিকল্প পারাপার হিসাবে ব্রীজের উপরেই একটি বাঁশের সাকো নির্মাণ করছেন এলাকাবাসি। এসবের জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। কৃষকরা তাদের পন্য আনা নেওয়া করতে পারছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা পড়েছে বড় সমস্যায়।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, ঝিনাইদহের নারিকেলবাড়িয়া-টিকারী সড়কের টিকারী বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সানচাই নদী। এ নদীর উপর বাজারের কাছেই ১৯৯৪ সালে নির্মাণ করা হয় ব্রীজটি। এলজিইডি বিভাগ ব্রীজটি নির্মাণ করে। এই ব্রীজের উপর দিয়ে চলাচল করে ঝিনাইদহের জিতড়, ভবানীপুর, মিয়াকুন্ডু, কুশোবাড়িয়া, ধননঞ্জয়পুর, মুক্তারামপুর, মাড়ন্দি, নারিকেলবাড়িয়া, টিকারী, দহখোলা, দিঘিরপাড়, লক্ষিপুর, মালঞ্চি, ব্যাংগা, বেরুইলসহ অন্তত: ৫০ গ্রামের মানুষ। তাদের চলাচলের একমাত্র পথ এ রাস্তাটি।
কৃষকরা অভিযোগ করেন, এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। আমাদের খরচ বাড়ছে। কৃষি পন্য পারাপার করতে পারছি না।
ব্রীজ না থাকায় মালামাল নিয়ে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। দেড় মাস আগে ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের কেউ খোঁজ খবর নেয়নি এখনো। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে এলাকার, কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা। এত অল্প সময়ের মধ্যে ব্রীজটি কেন ভেঙ্গে পড়ল সে ব্যাপারে তদন্ত ও ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি তাদের।
ছাত্রছাত্রীরা জানান, আমরা যাতায়াত করার সময় চরম ঝুকি নিয়ে পার হচ্ছি। সানচাই নদীর এ ব্রীজের উপর দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে থাকেন এলাকার হাজারো মানুষ। খুব শীঘ্রই ব্রীজটি নির্মাণ করার দাবি তাদের।
ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক এ ব্যাপরে জানান, এদিকে ব্রীজটি কবে নাগাদ নির্মাণ করা হবে এ ব্যপারে উপর মহলের অনুমতি ছাড়া কথা বলতে রাজি হননি এলজিইডির এই কর্মকর্তা।

